ঢাকা 12:53 pm, Monday, 2 March 2026
শিরোনাম :
তিন শাসনামলের বাংলাদেশ: অর্থনৈতিক উত্থান-পতন ও সংস্কার বাংলাদেশের অভ্যুদয়: একটি জাতিরাষ্ট্রের মহাকাব্য ও ইতিহাসের কালরেখা চেনা দুর্গে চেনা সেনাপতি: নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আবুল কালামের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন নতুন যুগে বাংলাদেশ: জনরায়ে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়, নেতৃত্বে তারেক রহমান মুছাপুরে ধানের শীষের গণসংযোগে ২নং ওয়ার্ডের জনগণ মুছাপুর ২নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্ভোদন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস: অভিজ্ঞ ও ক্লিন ম্যান কালাম, জনপ্রিয় মাকছুদ ও সুশৃঙ্খল জোটবদ্ধ মামুনের শক্তি কতটুকু? বন্দর মুছাপুরে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ মেসার্স মায়ের দোয়া এলপিজি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা মহাপ্রয়াণ: ইতিহাসের এক অবিনাশী আলোকবর্তিকা বেগম খালেদা জিয়া
বিজ্ঞাপন :
Welcome To Our Website 📰 সময় চক্র | 🌐 www.somoychokra.com প্রিয় পাঠক ও বিজ্ঞাপনদাতা, সাম্প্রতিক সময়ে সময় চক্র-এর নামে কিছু ভুয়া খবর, ফেক পেজ ও প্রতারণামূলক লেনদেনের প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে। 🔹 সময় চক্রের সকল সংবাদ ও কার্যক্রম পরিচালিত হয় শুধুমাত্র আমাদের অফিসিয়াল মাধ্যমগুলো থেকে — 🌐 ওয়েবসাইট: www.somoychokra.com 📘 ফেসবুক পেজ: সময় চক্র (Somoy Chokra) ▶️ ইউটিউব চ্যানেল: Somoy Chokra 📧 ইমেইল: somoychokra@gmail.com 🔸 টাকা বা বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত কোনো লেনদেন কেবল সময় চক্র-এর অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে এবং অফিসিয়াল যোগাযোগের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে। অন্য কোনো ব্যক্তি বা পেজের মাধ্যমে করা লেনদেনের দায়ভার সময় চক্র নেবে না। ⚠️ ভুয়া খবর প্রচার ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যাচাই করুন, তারপর বিশ্বাস করুন। — ✍️ সময় চক্র টিম “সত্য সংবাদে অটল, সময়ের সাথে সময় চক্র।”

চেনা দুর্গে চেনা সেনাপতি: নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আবুল কালামের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক, সময় চক্র নিউজ পোর্টাল | নারায়ণগঞ্জ ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ: দীর্ঘ দেড় দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনের সিংহাসন পুনরুদ্ধার করলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঘোষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, নারায়ণগঞ্জের রাজনীতির মাঠে তার জনপ্রিয়তা এখনও অমলিন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে অ্যাডভোকেট আবুল কালাম পেয়েছেন ১,১৪,৭৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোট সমর্থিত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এ বি এম সিরাজুল মামুন পেয়েছেন ১,০১,১৯৬ ভোট। অর্থাৎ ১৩,৬০৩ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেছেন কালাম।

অ্যাডভোকেট আবুল কালাম নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে কেবল একটি নাম নয়, বরং একটি প্রতিষ্ঠান। তার রাজনৈতিক জীবনের কিছু উল্লেখযোগ্য দিক:
তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সাংসদ মরহুম জালাল উদ্দিনের সুযোগ্য সন্তান। বাবার হাত ধরেই তার রাজনীতির হাতেখড়ি।
এর আগে তিনি ১৯৯১, ১৯৯৬ (ফেব্রুয়ারি) এবং ২০০১ সালে এই একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০২৬ সালের এই জয় তাকে চতুর্থবারের মতো সংসদে পাঠাচ্ছে।
পেশায় আইনজীবী আবুল কালাম নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিচ্ছেন। স্থানীয় পর্যায়ে তার ‘ক্লিন ইমেজ’ বা পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি তাকে এই কঠিন লড়াইয়ে জয়ী হতে সাহায্য করেছে।
২০২৬ সালের এই নির্বাচনটি ছিল অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। ৫৬.৫১% ভোটার উপস্থিতির এই নির্বাচনে আবুল কালামকে লড়তে হয়েছে স্থানীয় শক্তিশালী জোটের বিরুদ্ধে। ভোটের পর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিরাজুল মামুন ভোট পুনর্গণনার দাবি তুললেও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কালামের জয় নিয়ে ব্যাপক উল্লাস দেখা গেছে।

বিজয়ের পর এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেন, “এই জয় আমার নয়, এই জয় নারায়ণগঞ্জবাসীর ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের জয়। আমি সদর-বন্দর এলাকার উন্নয়নের যে ধারা ২০০১ সালে রেখে গিয়েছিলাম, আবারও সেখান থেকেই কাজ শুরু করতে চাই।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে ওসমানের পরিবারের দীর্ঘ প্রভাবের পর এই আসনে বিএনপির বড় ব্যবধানে জয়লাভ একটি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আবুল কালামের এই জয় আগামী দিনে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

তিন শাসনামলের বাংলাদেশ: অর্থনৈতিক উত্থান-পতন ও সংস্কার

চেনা দুর্গে চেনা সেনাপতি: নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আবুল কালামের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন

Update Time : 16 February 2026, 4:51

নিজস্ব প্রতিবেদক, সময় চক্র নিউজ পোর্টাল | নারায়ণগঞ্জ ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ: দীর্ঘ দেড় দশকের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনের সিংহাসন পুনরুদ্ধার করলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম। গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঘোষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, নারায়ণগঞ্জের রাজনীতির মাঠে তার জনপ্রিয়তা এখনও অমলিন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে অ্যাডভোকেট আবুল কালাম পেয়েছেন ১,১৪,৭৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় জোট সমর্থিত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এ বি এম সিরাজুল মামুন পেয়েছেন ১,০১,১৯৬ ভোট। অর্থাৎ ১৩,৬০৩ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেছেন কালাম।

অ্যাডভোকেট আবুল কালাম নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে কেবল একটি নাম নয়, বরং একটি প্রতিষ্ঠান। তার রাজনৈতিক জীবনের কিছু উল্লেখযোগ্য দিক:
তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সাংসদ মরহুম জালাল উদ্দিনের সুযোগ্য সন্তান। বাবার হাত ধরেই তার রাজনীতির হাতেখড়ি।
এর আগে তিনি ১৯৯১, ১৯৯৬ (ফেব্রুয়ারি) এবং ২০০১ সালে এই একই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০২৬ সালের এই জয় তাকে চতুর্থবারের মতো সংসদে পাঠাচ্ছে।
পেশায় আইনজীবী আবুল কালাম নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দিচ্ছেন। স্থানীয় পর্যায়ে তার ‘ক্লিন ইমেজ’ বা পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি তাকে এই কঠিন লড়াইয়ে জয়ী হতে সাহায্য করেছে।
২০২৬ সালের এই নির্বাচনটি ছিল অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। ৫৬.৫১% ভোটার উপস্থিতির এই নির্বাচনে আবুল কালামকে লড়তে হয়েছে স্থানীয় শক্তিশালী জোটের বিরুদ্ধে। ভোটের পর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিরাজুল মামুন ভোট পুনর্গণনার দাবি তুললেও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কালামের জয় নিয়ে ব্যাপক উল্লাস দেখা গেছে।

বিজয়ের পর এক সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেন, “এই জয় আমার নয়, এই জয় নারায়ণগঞ্জবাসীর ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের জয়। আমি সদর-বন্দর এলাকার উন্নয়নের যে ধারা ২০০১ সালে রেখে গিয়েছিলাম, আবারও সেখান থেকেই কাজ শুরু করতে চাই।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে ওসমানের পরিবারের দীর্ঘ প্রভাবের পর এই আসনে বিএনপির বড় ব্যবধানে জয়লাভ একটি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আবুল কালামের এই জয় আগামী দিনে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।