ঢাকা 3:20 am, Saturday, 6 June 2026
শিরোনাম :
বন্দরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত একাধিক মামলার আসামি হয়েও প্রকাশ্যে তৎপরতার অভিযোগ নাশকতার অর্থ যোগানদাতা হিসেবে আলোচনায় আ.লীগ নেতা আব্দুল খালেক ১০ টাকা চাঁদা না দেয়ায় সোনারগাঁয়ে লাইনম্যানের পিটুনিতে অটোচালক নিহত নারায়ণগঞ্জে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ এর বাছাই পর্ব সম্পন্ন বটতলা মাষ্টার বাড়ীর গোষ্ঠী সম্প্রদায়কে মজবুত করতে একাত্মতা ঘোষণা। জাপান প্রবাসী ইমরুল কায়েস ইমনের ঈদ পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে বন্দর উপজেলার বিএনপির শতাধিক নেতৃবৃন্দের আগমন। লাঙ্গলবন্দে মহাষ্টমী পুণ্যস্নান উৎসব শুরু: উৎসবমুখর পরিবেশে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল ২৫ মার্চ ২০২৬ পঞ্চবটি বধ্যভূমিতে বীর শহীদদের স্মরণে উপজেলা প্রশাসনের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি তিন শাসনামলের বাংলাদেশ: অর্থনৈতিক উত্থান-পতন ও সংস্কার
বিজ্ঞাপন :
Welcome To Our Website 📰 সময় চক্র | 🌐 www.somoychokra.com প্রিয় পাঠক ও বিজ্ঞাপনদাতা, সাম্প্রতিক সময়ে সময় চক্র-এর নামে কিছু ভুয়া খবর, ফেক পেজ ও প্রতারণামূলক লেনদেনের প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে। 🔹 সময় চক্রের সকল সংবাদ ও কার্যক্রম পরিচালিত হয় শুধুমাত্র আমাদের অফিসিয়াল মাধ্যমগুলো থেকে — 🌐 ওয়েবসাইট: www.somoychokra.com 📘 ফেসবুক পেজ: সময় চক্র (Somoy Chokra) ▶️ ইউটিউব চ্যানেল: Somoy Chokra 📧 ইমেইল: somoychokra@gmail.com 🔸 টাকা বা বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত কোনো লেনদেন কেবল সময় চক্র-এর অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে এবং অফিসিয়াল যোগাযোগের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে। অন্য কোনো ব্যক্তি বা পেজের মাধ্যমে করা লেনদেনের দায়ভার সময় চক্র নেবে না। ⚠️ ভুয়া খবর প্রচার ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যাচাই করুন, তারপর বিশ্বাস করুন। — ✍️ সময় চক্র টিম “সত্য সংবাদে অটল, সময়ের সাথে সময় চক্র।”

অর্থনীতিতে স্বস্তি: রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি, রেমিট্যান্সে ১৪.৪% প্রবৃদ্ধি!

সময় চক্র ডেস্ক: ঢাকা

বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বেশ কিছু আশাব্যঞ্জক খবর এসেছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের জোরালো প্রবাহে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় উত্থান ঘটেছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত রেমিট্যান্স ১৪.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। এই শক্তিশালী প্রবাহের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলারে (৩১.৯৪ বিলিয়ন ডলার) পৌঁছেছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, রেমিট্যান্সের এই গতি এবং বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ই রিজার্ভের পতন ঠেকিয়ে স্থিতিশীলতা এনেছে।

পাশাপাশি, কঠোর মুদ্রানীতি গ্রহণ এবং ভালো ফলনের কারণে দেশের মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৮ শতাংশ হতে পারে।

যদিও তাৎক্ষণিক সূচকগুলো ইতিবাচক, অর্থনীতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে। দেশের ব্যাংকিং খাত খেলাপি ঋণের উচ্চ হার এবং দুর্বল কর্পোরেট শাসনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।

অন্যদিকে, বিশ্বব্যাংকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে, যা সরকারের জন্য নতুন দুশ্চিন্তা।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে হলে সরকারকে এখন দ্রুত কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে—রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতের সংস্কার এবং বিনিয়োগের পরিবেশের উন্নতি।

এই সংস্কারগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত না হলে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

বন্দরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

অর্থনীতিতে স্বস্তি: রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি, রেমিট্যান্সে ১৪.৪% প্রবৃদ্ধি!

Update Time : 11 October 2025, 12:58

সময় চক্র ডেস্ক: ঢাকা

বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বেশ কিছু আশাব্যঞ্জক খবর এসেছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের জোরালো প্রবাহে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় উত্থান ঘটেছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত রেমিট্যান্স ১৪.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। এই শক্তিশালী প্রবাহের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলারে (৩১.৯৪ বিলিয়ন ডলার) পৌঁছেছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, রেমিট্যান্সের এই গতি এবং বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ই রিজার্ভের পতন ঠেকিয়ে স্থিতিশীলতা এনেছে।

পাশাপাশি, কঠোর মুদ্রানীতি গ্রহণ এবং ভালো ফলনের কারণে দেশের মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৮ শতাংশ হতে পারে।

যদিও তাৎক্ষণিক সূচকগুলো ইতিবাচক, অর্থনীতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে। দেশের ব্যাংকিং খাত খেলাপি ঋণের উচ্চ হার এবং দুর্বল কর্পোরেট শাসনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।

অন্যদিকে, বিশ্বব্যাংকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে, যা সরকারের জন্য নতুন দুশ্চিন্তা।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে হলে সরকারকে এখন দ্রুত কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে—রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতের সংস্কার এবং বিনিয়োগের পরিবেশের উন্নতি।

এই সংস্কারগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত না হলে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।