ঢাকা 10:25 am, Wednesday, 29 July 2026
শিরোনাম :
মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ নামে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন পুলিশের নাকের ডগায় চলতো মাদক ব্যাবসা,র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার-৩ নারায়ণগঞ্জ সদরে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন পল্লী চিকিৎসককে মারধর, চাঁদা দাবি ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ; যুবদল নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শণ করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বন্দরে ছিনতাইকারিদের ছুরিকাঘাতে আহত যুবকের মৃত্যু, এসআই ক্লোজড বন্দরের মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির ১ম সভা অনুষ্ঠিত মদনপুরে এস এম আল আমিনের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া ও তবারক বিতরণ। বন্দরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত একাধিক মামলার আসামি হয়েও প্রকাশ্যে তৎপরতার অভিযোগ
বিজ্ঞাপন :
Welcome To Our Website 📰 সময় চক্র | 🌐 www.somoychokra.com প্রিয় পাঠক ও বিজ্ঞাপনদাতা, সাম্প্রতিক সময়ে সময় চক্র-এর নামে কিছু ভুয়া খবর, ফেক পেজ ও প্রতারণামূলক লেনদেনের প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে। 🔹 সময় চক্রের সকল সংবাদ ও কার্যক্রম পরিচালিত হয় শুধুমাত্র আমাদের অফিসিয়াল মাধ্যমগুলো থেকে — 🌐 ওয়েবসাইট: www.somoychokra.com 📘 ফেসবুক পেজ: সময় চক্র (Somoy Chokra) ▶️ ইউটিউব চ্যানেল: Somoy Chokra 📧 ইমেইল: somoychokra@gmail.com 🔸 টাকা বা বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত কোনো লেনদেন কেবল সময় চক্র-এর অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে এবং অফিসিয়াল যোগাযোগের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে। অন্য কোনো ব্যক্তি বা পেজের মাধ্যমে করা লেনদেনের দায়ভার সময় চক্র নেবে না। ⚠️ ভুয়া খবর প্রচার ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যাচাই করুন, তারপর বিশ্বাস করুন। — ✍️ সময় চক্র টিম “সত্য সংবাদে অটল, সময়ের সাথে সময় চক্র।”
মুখ্য সচিবের সভায় উদ্বেগ, আধুনিক আইন ও প্রযুক্তির সংযোজন আজও ঝুলে

ধীরগতিতে পুলিশ সংস্কার: জনগণের আস্থা ফেরাতে দীর্ঘ পথ

ঢাকা: ৭ অক্টোবর, ২০২৫।

অন্তর্বর্তী সরকার জনবান্ধব পুলিশ তৈরির জন্য যে পুলিশ সংস্কার কমিশন (PRC) গঠন করেছিল, তার সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে এখন ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। জনমুখী পুলিশিং, জবাবদিহিতা ও মানবাধিকার রক্ষার লক্ষ্য নিয়ে এই সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু হলেও, বাস্তবায়ন চলছে অনেক ধীরগতিতে।

সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় সংস্কার কাজের অগ্রগতি এবং কোথায় কোথায় সমস্যা হচ্ছে, তা পর্যালোচনা করা হয়েছে। দায়িত্বশীল সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 

পুলিশ সংস্কার কমিশন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করেছিল। কিন্তু আইনি জটিলতা ও কাঠামোগত কারণে সেগুলো কার্যকর হতে দেরি হচ্ছে।

  • আইন পরিবর্তন হচ্ছে না: ১৮৬১ সালের অনেক পুরনো আইনটি বাতিল করে নতুন আইন তৈরির কথা ছিল। এছাড়া, পুলিশের গ্রেফতার ও রিমান্ডের ক্ষমতা কমানোর জন্য ২২টি আইনের সংশোধনের প্রস্তাব ছিল। এই কাজগুলো এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে আছে।
  • স্বাধীন তদারকি নেই: পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করার জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের সুপারিশ ছিল। কিন্তু সেই কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে।
  • কাঠামোগত পরিবর্তন: নারী পুলিশের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করার জন্য নতুন পদ তৈরি করতে হবে। কিন্তু এই নতুন পদের জন্য অর্গানোগ্রাম অনুমোদন বা পদায়নের কাজ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
  • কর্মপরিবেশ: পুলিশের অতিরিক্ত কাজের চাপ কমাতে তাদের জন্য নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা চালু করার কথা ছিল। মাঠপর্যায়ে এর কোনো কার্যকর পরিবর্তন এখনও দেখা যায়নি।

 

মুখ্য সচিবের সভায় কর্মকর্তারা এই ধীরগতির জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাদের মতে, কাজ দ্রুত শেষ না হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো:

  • বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব।
  • প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ পেতে বিলম্ব।
  • দীর্ঘমেয়াদী আইনি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঝুলে থাকা কাজগুলো দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হতে পারে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, পুলিশের মতো একটি বড় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার সফল করতে শক্তিশালী তদারকি ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা অপরিহার্য।

এই ধীরগতির কারণে জনগণের মধ্যে পুলিশের ওপর আস্থা ফেরানোর কাজটি আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ নামে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

মুখ্য সচিবের সভায় উদ্বেগ, আধুনিক আইন ও প্রযুক্তির সংযোজন আজও ঝুলে

ধীরগতিতে পুলিশ সংস্কার: জনগণের আস্থা ফেরাতে দীর্ঘ পথ

Update Time : 8 October 2025, 1:28

ঢাকা: ৭ অক্টোবর, ২০২৫।

অন্তর্বর্তী সরকার জনবান্ধব পুলিশ তৈরির জন্য যে পুলিশ সংস্কার কমিশন (PRC) গঠন করেছিল, তার সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে এখন ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। জনমুখী পুলিশিং, জবাবদিহিতা ও মানবাধিকার রক্ষার লক্ষ্য নিয়ে এই সংস্কার প্রক্রিয়া শুরু হলেও, বাস্তবায়ন চলছে অনেক ধীরগতিতে।

সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় সংস্কার কাজের অগ্রগতি এবং কোথায় কোথায় সমস্যা হচ্ছে, তা পর্যালোচনা করা হয়েছে। দায়িত্বশীল সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

 

পুলিশ সংস্কার কমিশন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করেছিল। কিন্তু আইনি জটিলতা ও কাঠামোগত কারণে সেগুলো কার্যকর হতে দেরি হচ্ছে।

  • আইন পরিবর্তন হচ্ছে না: ১৮৬১ সালের অনেক পুরনো আইনটি বাতিল করে নতুন আইন তৈরির কথা ছিল। এছাড়া, পুলিশের গ্রেফতার ও রিমান্ডের ক্ষমতা কমানোর জন্য ২২টি আইনের সংশোধনের প্রস্তাব ছিল। এই কাজগুলো এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে আছে।
  • স্বাধীন তদারকি নেই: পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত করার জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের সুপারিশ ছিল। কিন্তু সেই কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে।
  • কাঠামোগত পরিবর্তন: নারী পুলিশের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করার জন্য নতুন পদ তৈরি করতে হবে। কিন্তু এই নতুন পদের জন্য অর্গানোগ্রাম অনুমোদন বা পদায়নের কাজ এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
  • কর্মপরিবেশ: পুলিশের অতিরিক্ত কাজের চাপ কমাতে তাদের জন্য নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা চালু করার কথা ছিল। মাঠপর্যায়ে এর কোনো কার্যকর পরিবর্তন এখনও দেখা যায়নি।

 

মুখ্য সচিবের সভায় কর্মকর্তারা এই ধীরগতির জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাদের মতে, কাজ দ্রুত শেষ না হওয়ার প্রধান কারণগুলো হলো:

  • বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব।
  • প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ পেতে বিলম্ব।
  • দীর্ঘমেয়াদী আইনি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রয়োজন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঝুলে থাকা কাজগুলো দ্রুত শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হতে পারে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, পুলিশের মতো একটি বড় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার সফল করতে শক্তিশালী তদারকি ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা অপরিহার্য।

এই ধীরগতির কারণে জনগণের মধ্যে পুলিশের ওপর আস্থা ফেরানোর কাজটি আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে।