ঢাকা 12:21 pm, Thursday, 30 July 2026
শিরোনাম :
মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ নামে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন পুলিশের নাকের ডগায় চলতো মাদক ব্যাবসা,র‍্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার-৩ নারায়ণগঞ্জ সদরে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন পল্লী চিকিৎসককে মারধর, চাঁদা দাবি ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ; যুবদল নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শণ করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বন্দরে ছিনতাইকারিদের ছুরিকাঘাতে আহত যুবকের মৃত্যু, এসআই ক্লোজড বন্দরের মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির ১ম সভা অনুষ্ঠিত মদনপুরে এস এম আল আমিনের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে দোয়া ও তবারক বিতরণ। বন্দরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত একাধিক মামলার আসামি হয়েও প্রকাশ্যে তৎপরতার অভিযোগ
বিজ্ঞাপন :
Welcome To Our Website 📰 সময় চক্র | 🌐 www.somoychokra.com প্রিয় পাঠক ও বিজ্ঞাপনদাতা, সাম্প্রতিক সময়ে সময় চক্র-এর নামে কিছু ভুয়া খবর, ফেক পেজ ও প্রতারণামূলক লেনদেনের প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে। 🔹 সময় চক্রের সকল সংবাদ ও কার্যক্রম পরিচালিত হয় শুধুমাত্র আমাদের অফিসিয়াল মাধ্যমগুলো থেকে — 🌐 ওয়েবসাইট: www.somoychokra.com 📘 ফেসবুক পেজ: সময় চক্র (Somoy Chokra) ▶️ ইউটিউব চ্যানেল: Somoy Chokra 📧 ইমেইল: somoychokra@gmail.com 🔸 টাকা বা বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত কোনো লেনদেন কেবল সময় চক্র-এর অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে এবং অফিসিয়াল যোগাযোগের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে। অন্য কোনো ব্যক্তি বা পেজের মাধ্যমে করা লেনদেনের দায়ভার সময় চক্র নেবে না। ⚠️ ভুয়া খবর প্রচার ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যাচাই করুন, তারপর বিশ্বাস করুন। — ✍️ সময় চক্র টিম “সত্য সংবাদে অটল, সময়ের সাথে সময় চক্র।”

তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে গোপন আটক কেন্দ্র উন্মোচন: একন টিভিতে বিস্ফোরক তথ্যচিত্র

বিশেষ প্রতিবেদক: ঢাকা

একন টিভিতে (EKHON TV) সম্প্রচারিত এক চাঞ্চল্যকর তথ্যচিত্রে (Documentary) বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে চলা জোরপূর্বক গুম (Forced Disappearance) এবং গোপন আটক কেন্দ্রের (Secret Detention Centers) ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। ‘তথ‍্য-প্রমাণের ভিত্তিতে গোপন আটক কেন্দ্র উন্মোচন’ শিরোনামের এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বিভিন্ন ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

তথ্যচিত্রটি দাবি করেছে, গুমের ঘটনাগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় সবকটি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা জড়িত। এর মধ্যে বিশেষভাবে নাম এসেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB), বাংলাদেশ পুলিশ (সিটিটিসি সহ), ডিজিএফআই (DGFI) এবং এনএসআই (NSI)-এর।

একাধিক ভুক্তভোগীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, আটককৃতদের ওপর নানাভাবে নির্যাতন করা হতো এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ‘নাটক’ সাজিয়ে অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা দেখানো হতো। এমনকি একজন ভুক্তভোগী জানান, একজন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্যই তার জীবন ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, গুমের শিকার হয়েছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ— দিনমজুর থেকে অত্যন্ত ধনী ব্যবসায়ী, কলেজ পড়ুয়া ছাত্র, নারী ও ১০ বছরের কম বয়সী শিশুও।

  • বন্দিশালার সঠিক অবস্থান কেউ জানতে পারলে দায়ীদের চিহ্নিত করা সহজ হবে, তাই সারা দেশে এভিডেন্স সরিয়ে ফেলা হয় এবং আটক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত ভবনের কাঠামো পরিবর্তন করে ফেলা হয়।
  • ৫ আগস্টের পর সরকার পরিবর্তন হলেও বাহিনীর ভেতরে দোষী ব্যক্তিরা পরিবর্তন হননি এবং তারা জানতেন যে বন্দীদের অবস্থান নিশ্চিত হলে দায়ীদের ধরা সম্ভব হবে।

সবচেয়ে বিস্ফোরক তথ্যটি আসে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকারে। তথ্যচিত্রটির চূড়ান্ত অংশে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, এই ধরনের ঘটনা দিনের পর দিন চলতে থাকার পিছনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সামরিক উপদেষ্টা তারেক সিদ্দিকী এবং বাহিনী প্রধানদের সমন্বিত নির্দেশনা ছাড়া সম্ভব ছিল না।

প্রতিবেদনটি উপসংহার টানে যে, তৎকালীন সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারকদের নির্দেশনার বাইরে এত বড় আকারের গুমের ঘটনা ঘটার সুযোগ ছিল না, ফলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।

এই তথ্যচিত্রটি এখন বাংলাদেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং এর তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় পোস্ট

মালিবাগ কেরামতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘ওয়ান চাইল্ড ওয়ান ট্রি’ নামে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন

তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে গোপন আটক কেন্দ্র উন্মোচন: একন টিভিতে বিস্ফোরক তথ্যচিত্র

Update Time : 10 October 2025, 10:28

বিশেষ প্রতিবেদক: ঢাকা

একন টিভিতে (EKHON TV) সম্প্রচারিত এক চাঞ্চল্যকর তথ্যচিত্রে (Documentary) বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে চলা জোরপূর্বক গুম (Forced Disappearance) এবং গোপন আটক কেন্দ্রের (Secret Detention Centers) ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। ‘তথ‍্য-প্রমাণের ভিত্তিতে গোপন আটক কেন্দ্র উন্মোচন’ শিরোনামের এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বিভিন্ন ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

তথ্যচিত্রটি দাবি করেছে, গুমের ঘটনাগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় সবকটি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা জড়িত। এর মধ্যে বিশেষভাবে নাম এসেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB), বাংলাদেশ পুলিশ (সিটিটিসি সহ), ডিজিএফআই (DGFI) এবং এনএসআই (NSI)-এর।

একাধিক ভুক্তভোগীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, আটককৃতদের ওপর নানাভাবে নির্যাতন করা হতো এবং তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ‘নাটক’ সাজিয়ে অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা দেখানো হতো। এমনকি একজন ভুক্তভোগী জানান, একজন কর্মকর্তার পদোন্নতির জন্যই তার জীবন ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, গুমের শিকার হয়েছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ— দিনমজুর থেকে অত্যন্ত ধনী ব্যবসায়ী, কলেজ পড়ুয়া ছাত্র, নারী ও ১০ বছরের কম বয়সী শিশুও।

  • বন্দিশালার সঠিক অবস্থান কেউ জানতে পারলে দায়ীদের চিহ্নিত করা সহজ হবে, তাই সারা দেশে এভিডেন্স সরিয়ে ফেলা হয় এবং আটক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত ভবনের কাঠামো পরিবর্তন করে ফেলা হয়।
  • ৫ আগস্টের পর সরকার পরিবর্তন হলেও বাহিনীর ভেতরে দোষী ব্যক্তিরা পরিবর্তন হননি এবং তারা জানতেন যে বন্দীদের অবস্থান নিশ্চিত হলে দায়ীদের ধরা সম্ভব হবে।

সবচেয়ে বিস্ফোরক তথ্যটি আসে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকারে। তথ্যচিত্রটির চূড়ান্ত অংশে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, এই ধরনের ঘটনা দিনের পর দিন চলতে থাকার পিছনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সামরিক উপদেষ্টা তারেক সিদ্দিকী এবং বাহিনী প্রধানদের সমন্বিত নির্দেশনা ছাড়া সম্ভব ছিল না।

প্রতিবেদনটি উপসংহার টানে যে, তৎকালীন সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারকদের নির্দেশনার বাইরে এত বড় আকারের গুমের ঘটনা ঘটার সুযোগ ছিল না, ফলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।

এই তথ্যচিত্রটি এখন বাংলাদেশে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং এর তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।