সময় চক্র ডেস্ক: ঢাকা
বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বেশ কিছু আশাব্যঞ্জক খবর এসেছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের জোরালো প্রবাহে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে বড় উত্থান ঘটেছে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত রেমিট্যান্স ১৪.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। এই শক্তিশালী প্রবাহের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলারে (৩১.৯৪ বিলিয়ন ডলার) পৌঁছেছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, রেমিট্যান্সের এই গতি এবং বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ই রিজার্ভের পতন ঠেকিয়ে স্থিতিশীলতা এনেছে।
পাশাপাশি, কঠোর মুদ্রানীতি গ্রহণ এবং ভালো ফলনের কারণে দেশের মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.৮ শতাংশ হতে পারে।
যদিও তাৎক্ষণিক সূচকগুলো ইতিবাচক, অর্থনীতির কিছু গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে। দেশের ব্যাংকিং খাত খেলাপি ঋণের উচ্চ হার এবং দুর্বল কর্পোরেট শাসনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে।
অন্যদিকে, বিশ্বব্যাংকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে, যা সরকারের জন্য নতুন দুশ্চিন্তা।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং এই স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে হলে সরকারকে এখন দ্রুত কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দিতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে—রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতের সংস্কার এবং বিনিয়োগের পরিবেশের উন্নতি।
এই সংস্কারগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত না হলে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।








