ঢাকা 8:38 pm, Saturday, 18 April 2026
শিরোনাম :
বটতলা মাষ্টার বাড়ীর গোষ্ঠী সম্প্রদায়কে মজবুত করতে একাত্মতা ঘোষণা। জাপান প্রবাসী ইমরুল কায়েস ইমনের ঈদ পুনর্মিলন অনুষ্ঠানে বন্দর উপজেলার বিএনপির শতাধিক নেতৃবৃন্দের আগমন। লাঙ্গলবন্দে মহাষ্টমী পুণ্যস্নান উৎসব শুরু: উৎসবমুখর পরিবেশে লাখো পুণ্যার্থীর ঢল ২৫ মার্চ ২০২৬ পঞ্চবটি বধ্যভূমিতে বীর শহীদদের স্মরণে উপজেলা প্রশাসনের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি তিন শাসনামলের বাংলাদেশ: অর্থনৈতিক উত্থান-পতন ও সংস্কার বাংলাদেশের অভ্যুদয়: একটি জাতিরাষ্ট্রের মহাকাব্য ও ইতিহাসের কালরেখা চেনা দুর্গে চেনা সেনাপতি: নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আবুল কালামের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন নতুন যুগে বাংলাদেশ: জনরায়ে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়, নেতৃত্বে তারেক রহমান মুছাপুরে ধানের শীষের গণসংযোগে ২নং ওয়ার্ডের জনগণ মুছাপুর ২নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্ভোদন
বিজ্ঞাপন :
Welcome To Our Website 📰 সময় চক্র | 🌐 www.somoychokra.com প্রিয় পাঠক ও বিজ্ঞাপনদাতা, সাম্প্রতিক সময়ে সময় চক্র-এর নামে কিছু ভুয়া খবর, ফেক পেজ ও প্রতারণামূলক লেনদেনের প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছে। 🔹 সময় চক্রের সকল সংবাদ ও কার্যক্রম পরিচালিত হয় শুধুমাত্র আমাদের অফিসিয়াল মাধ্যমগুলো থেকে — 🌐 ওয়েবসাইট: www.somoychokra.com 📘 ফেসবুক পেজ: সময় চক্র (Somoy Chokra) ▶️ ইউটিউব চ্যানেল: Somoy Chokra 📧 ইমেইল: somoychokra@gmail.com 🔸 টাকা বা বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত কোনো লেনদেন কেবল সময় চক্র-এর অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে এবং অফিসিয়াল যোগাযোগের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে। অন্য কোনো ব্যক্তি বা পেজের মাধ্যমে করা লেনদেনের দায়ভার সময় চক্র নেবে না। ⚠️ ভুয়া খবর প্রচার ও প্রতারণামূলক কার্যক্রম আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যাচাই করুন, তারপর বিশ্বাস করুন। — ✍️ সময় চক্র টিম “সত্য সংবাদে অটল, সময়ের সাথে সময় চক্র।”

বন্দরের ভূমি সেবায় এক নতুন অধ্যায়: এসি ল্যান্ড রহিমা আক্তার ইতি’র গতিশীলতা ও সততার বিজয়

সময় চক্র নিউজ | বিশেষ প্রতিবেদন | নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলা ভূমি অফিস বর্তমানে জনসেবার ক্ষেত্রে এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) (এসি ল্যান্ড) রহিমা আক্তার ইতি (৩৮তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার) যোগদানের পর থেকে ভূমি সেবার মান উন্নয়নে যে দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সাহস দেখিয়েছেন, তা কেবল বন্দর উপজেলাই নয়, বরং পুরো জেলার জন্যই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর হাত ধরে ভূমি অফিসে এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন, যেখানে সেবাপ্রাপ্তি এখন সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত।
২০২৪ সালের ০৮ জুলাই বন্দর উপজেলা ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকেই রহিমা আক্তার ইতি একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেন—ভূমি অফিসকে জনবান্ধব, দুর্নীতিমুক্ত ও দালালমুক্ত কেন্দ্রে পরিণত করা। তাঁর কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপের কারণে দ্রুতই এই অফিসে স্বচ্ছতা ফিরে আসতে শুরু করে।

এসি ল্যান্ড রহিমা আক্তার ইতি’র প্রশাসনিক দূরদর্শিতার মূল পরিচয় মেলে ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিষ্পত্তির হারে। তাঁর সময়ে নামজারি (মিউটেশন) এবং বিবিধ মোকদ্দমা নিষ্পত্তির হার পূর্বের তুলনায় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে:
ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে নামজারি প্রক্রিয়া সরল ও দ্রুত হয়েছে। তিনি নির্দিষ্ট সময়ে আবেদন নিষ্পত্তি নিশ্চিত করেছেন, ফলে ভূমি মালিকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হয়েছে।
বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি কমাতে তিনি নিয়মিত দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করেছেন, ফলে মোকদ্দমা নিষ্পত্তির হার এখন রেকর্ড-ব্রেকিং। এই দক্ষতা তাঁর প্রশাসনিক মেধা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধার পরিচায়ক।
ভূমি সেবার পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় রহিমা আক্তার ইতি আপসহীন ভূমিকা পালন করছেন। অবৈধ দখলদার এবং ভূমি খেকোদের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। তিনি একাধিক সাহসী অভিযানে সরকারি খাস জমি পুনরুদ্ধার এবং অবৈধভাবে মাটি কাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে ৫ লাখ টাকার মতো জরিমানা আদায় করেছেন।

রহিমা আক্তার ইতি মহোদয় এবং নারায়ণগঞ্জের অন্য কর্মকর্তাদের (যেমন: সোনারগাঁও কাঁচপুর সার্কেলের এসি ল্যান্ড ফাইরুজ তাসনিম) সাফল্যের পথে কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের বাধা আসা স্বাভাবিক। কাঁচপুর সার্কেলে দালালমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে গিয়ে এসি ল্যান্ড ফাইরুজ তাসনিম যেভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা অপপ্রচারের মুখেও “কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না” বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, বন্দর এসি ল্যান্ড ইতিও ঠিক তেমনিভাবে সেই একই সাহসিকতা দেখিয়েছেন। এই দুই কর্মকর্তার দৃঢ়তা প্রমাণ করে যে, ভূমি সেবাকে দালালমুক্ত করার অঙ্গীকারে নারায়ণগঞ্জের প্রশাসন আপসহীন।
এসি ল্যান্ড ইতিও দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছেন, “আমার বিরুদ্ধে কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার করলেও, আমি দালালমুক্ত সেবা দিয়ে জনগণের দরজায় সেবা পৌঁছে দিবো। কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না।”

স্থানীয় জনগণ এসি ল্যান্ড ইতিকে একজন অত্যন্ত সম্মানজনক ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখেন। সাধারণ মানুষের মতে, এখন ভূমি সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে সরাসরি এসিল্যান্ডের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কথা বলা যাচ্ছে, ফলে দ্রুত সমস্যা সমাধান হচ্ছে এবং মিসকেসের সংখ্যাও কমে এসেছে।
সরাসরি অফিস থেকে সেবা পাওয়া যাচ্ছে বলে কৃষকসহ সকল ভূমি মালিকেরা তাঁর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহিমা আক্তার ইতি’র নেতৃত্বে বন্দর উপজেলা ভূমি অফিস এখন জনসেবার এক আদর্শ কেন্দ্র। তাঁর এই প্রশাসনিক দক্ষতা, নামজারি ও মোকদ্দমা নিষ্পত্তির হার বৃদ্ধি এবং দালালমুক্ত সেবার অঙ্গীকার প্রমাণ করে যে, তিনি সরকারের জনবান্ধব নীতির এক শ্রেষ্ঠ বাস্তবায়নকারী। তাঁর এই নিরলস পরিশ্রম তাঁকে একজন সেরা কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যিনি জনগণের শ্রদ্ধা ও সম্মান অর্জন করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বটতলা মাষ্টার বাড়ীর গোষ্ঠী সম্প্রদায়কে মজবুত করতে একাত্মতা ঘোষণা।

বন্দরের ভূমি সেবায় এক নতুন অধ্যায়: এসি ল্যান্ড রহিমা আক্তার ইতি’র গতিশীলতা ও সততার বিজয়

Update Time : 10 November 2025, 10:12

সময় চক্র নিউজ | বিশেষ প্রতিবেদন | নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলা ভূমি অফিস বর্তমানে জনসেবার ক্ষেত্রে এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) (এসি ল্যান্ড) রহিমা আক্তার ইতি (৩৮তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার) যোগদানের পর থেকে ভূমি সেবার মান উন্নয়নে যে দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সাহস দেখিয়েছেন, তা কেবল বন্দর উপজেলাই নয়, বরং পুরো জেলার জন্যই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর হাত ধরে ভূমি অফিসে এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন, যেখানে সেবাপ্রাপ্তি এখন সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত।
২০২৪ সালের ০৮ জুলাই বন্দর উপজেলা ভূমি অফিসে যোগদানের পর থেকেই রহিমা আক্তার ইতি একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেন—ভূমি অফিসকে জনবান্ধব, দুর্নীতিমুক্ত ও দালালমুক্ত কেন্দ্রে পরিণত করা। তাঁর কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপের কারণে দ্রুতই এই অফিসে স্বচ্ছতা ফিরে আসতে শুরু করে।

এসি ল্যান্ড রহিমা আক্তার ইতি’র প্রশাসনিক দূরদর্শিতার মূল পরিচয় মেলে ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিষ্পত্তির হারে। তাঁর সময়ে নামজারি (মিউটেশন) এবং বিবিধ মোকদ্দমা নিষ্পত্তির হার পূর্বের তুলনায় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে:
ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে নামজারি প্রক্রিয়া সরল ও দ্রুত হয়েছে। তিনি নির্দিষ্ট সময়ে আবেদন নিষ্পত্তি নিশ্চিত করেছেন, ফলে ভূমি মালিকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হয়েছে।
বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি কমাতে তিনি নিয়মিত দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করেছেন, ফলে মোকদ্দমা নিষ্পত্তির হার এখন রেকর্ড-ব্রেকিং। এই দক্ষতা তাঁর প্রশাসনিক মেধা ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধার পরিচায়ক।
ভূমি সেবার পাশাপাশি সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় রহিমা আক্তার ইতি আপসহীন ভূমিকা পালন করছেন। অবৈধ দখলদার এবং ভূমি খেকোদের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। তিনি একাধিক সাহসী অভিযানে সরকারি খাস জমি পুনরুদ্ধার এবং অবৈধভাবে মাটি কাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে ৫ লাখ টাকার মতো জরিমানা আদায় করেছেন।

রহিমা আক্তার ইতি মহোদয় এবং নারায়ণগঞ্জের অন্য কর্মকর্তাদের (যেমন: সোনারগাঁও কাঁচপুর সার্কেলের এসি ল্যান্ড ফাইরুজ তাসনিম) সাফল্যের পথে কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের বাধা আসা স্বাভাবিক। কাঁচপুর সার্কেলে দালালমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে গিয়ে এসি ল্যান্ড ফাইরুজ তাসনিম যেভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা অপপ্রচারের মুখেও “কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না” বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, বন্দর এসি ল্যান্ড ইতিও ঠিক তেমনিভাবে সেই একই সাহসিকতা দেখিয়েছেন। এই দুই কর্মকর্তার দৃঢ়তা প্রমাণ করে যে, ভূমি সেবাকে দালালমুক্ত করার অঙ্গীকারে নারায়ণগঞ্জের প্রশাসন আপসহীন।
এসি ল্যান্ড ইতিও দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেছেন, “আমার বিরুদ্ধে কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার করলেও, আমি দালালমুক্ত সেবা দিয়ে জনগণের দরজায় সেবা পৌঁছে দিবো। কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না।”

স্থানীয় জনগণ এসি ল্যান্ড ইতিকে একজন অত্যন্ত সম্মানজনক ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেখেন। সাধারণ মানুষের মতে, এখন ভূমি সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে সরাসরি এসিল্যান্ডের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কথা বলা যাচ্ছে, ফলে দ্রুত সমস্যা সমাধান হচ্ছে এবং মিসকেসের সংখ্যাও কমে এসেছে।
সরাসরি অফিস থেকে সেবা পাওয়া যাচ্ছে বলে কৃষকসহ সকল ভূমি মালিকেরা তাঁর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহিমা আক্তার ইতি’র নেতৃত্বে বন্দর উপজেলা ভূমি অফিস এখন জনসেবার এক আদর্শ কেন্দ্র। তাঁর এই প্রশাসনিক দক্ষতা, নামজারি ও মোকদ্দমা নিষ্পত্তির হার বৃদ্ধি এবং দালালমুক্ত সেবার অঙ্গীকার প্রমাণ করে যে, তিনি সরকারের জনবান্ধব নীতির এক শ্রেষ্ঠ বাস্তবায়নকারী। তাঁর এই নিরলস পরিশ্রম তাঁকে একজন সেরা কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যিনি জনগণের শ্রদ্ধা ও সম্মান অর্জন করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।